নাটোরের বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা

 

নাটোর জেলার নাম নিলেই,যে কয়টি বিষয় সামনে আসে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বিখ্যাত মিষ্টি কাঁচাগোল্লা । নরম মিষ্টি এবং বেশ সুস্বাদু বলে এর স্বাদনিতে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসে আমাদের নাটোরে।

নাটোরের বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা


সূচি পত্রঃ নাটোরের বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা

কাঁচা গোল্লা কি?

সাধারণত চিনি ও ছানা দিয়ে তৈরি হয় । এর বিশেষত্ব হলো নরম ও মোলায়েম গঠন এবং স্বতন্ত্র সাধ। কাঁচা গোল্লা দেখতে অনেকটা সাদা বা হালকা হলুদ রঙের গোলাকার মিষ্টির মতো। কাঁচাগোল্লার স্বাদ ও তৈরির পদ্ধতি আলাদা এ কারণে এটি নাটোরের ঐতিহ্যবাহী খাবারের পরিণত হয়েছে।

কাঁচা গোল্লা কেন এত  বিখ্যাত?

বাংলাদেশের যত প্রকারের মিষ্টি আছে , তার মধ্যে কাঁচাগোল্লার স্বাদ সম্পূর্ণ আলাদা। নাটোরের কাঁচা গোল্লার জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে এর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ,স্বতন্ত্র সাধ এবং স্থানীয় কারিগরদের দক্ষতা। নাটোরে বেড়াতে আসো অনেক মানুষ নিজের জন্য যেমন কাঁচা গোল্লা কিনে নিয়ে যান, তেমনি আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের জন্যও এটি উপহার হিসেবে নিয়ে যান। বিশেষ করে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে  কাঁচা গোল্লার চাহিদা আরো বেড়ে যায়।

কাঁচা গোল্লা কিভাবে তৈরি হয়?

কাঁচা গোলা তৈরির মূল উপকরণ সাধারণত ছানা ও চিনি। প্রথমে দুধ থেকে ছানা তৈরি হয় ।এরপর ছানা ভালোভাবে মাখিয়ে বা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত করে তার সঙ্গে চিনি মেশানো হয়। এরপর মিষ্টির কারিগররা নির্দিষ্ট আকৃতিতে ছোট ছোট গোল গোল করে তৈরি করেন । তবে দোকানে কারিগর ভেদে তৈরীর পদ্ধতি এবং উপকরণের পরিমাণ এবং সাধে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে। তবে প্রকৃত ভালো কাঁচা গোল্লার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর নরম মোলায়েম ও তাজা সাধ ।

নাটোরে কোথায় কাঁচাগোল্লা পাওয়া যায়?

নাটোর শহর ও আশপাশের বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে কাঁচা গোল্লা পাওয়া যায় । তবে কেনার সময় পরিচিত বিশ্বস্ত দোকান থেকে তাজা মিষ্টি নেওয়া ভালো ।

আর আমি যেহেতু নাটোরের ছেলে,তাই আপনারা যদি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন আমি আপনাদেরকে ভালো মানের নাটোরের কাচা গোল্লা পৌঁছে দিতে পারব ইনশাল্লাহ।।

আমার সাথে যোগাযোগ করতে সরাসরি কল করুন এই নম্বরে: 01311-865172

কাঁচাগোল্লার দাম 

দোকান এবং কাঁচাগোলার কোয়ালিটি ভেদে একেক জায়গায় একেক রকম দাম নিয়ে থাকে তবে ভালো মানের রসগোল্লা কিনতে গেলে আপনাকে অবশ্যই ৮০০- ১০০০ টাকা দিতে হবে ।

কাঁচাগোল্লা কেন খাবেন?

কাঁচা গোল্লা মূলত দুধের ছানা থেকে তৈরি, তাই এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। যা শরীরের পেশিগঠন পুষ্টি জুগাতে সাহায্য করে । ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি হাড় ও দাঁত মজবুত রাখতে সহায়তা করে। শরীরের দ্রুত শক্তির প্রয়োজন মেটাতে এবং ক্লান্তি দূর করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। অন্যান্য মিষ্টির চাইতে কাঁচা গোল্লাতে চিনির পরিমাণ কম থাকে তাই এতে ক্যালরির পরিমাণও কম থাকে। যেহেতু মিষ্টির পরিমাণ কম থাকে তাই ডায়াবেটিস রোগীরাও এটা খেতে পারে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

স্মার্ট সেবা নাটোরের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url